বিসিআই ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট এর পক্ষ থেকে সকল হিন্দু ধর্মালম্বিদের জানাই  “শুভ শারদীয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা

দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে দূর্গা পূজা। আকাশে বাতাসে মায়ের আগমনের আভাস। দূর্গা পূজা বাঙালিদের শ্রেষ্ঠ উৎসব। প্রতি বছর নিষ্ঠা এবং বিশাল জাঁকজমক ভাবে মায়ের আগমন উৎযাপন করা হয়। এই উৎসবটি অসুর বধ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। ঢাক, আতশবাজি, রঙিন আলোয় উদযাপিত হয় এই বিশেষ উৎসবটি। হিন্দুরা আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে। প্রত্যেকে এই উৎসবটির সময় নিজেদের সব কষ্ট ভুলে খুশি এবং আনন্দিত বোধ করে।

সাধারণত আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠ থেকে দশম দিন পর্যন্ত শারদীয়া দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এই পাঁচটি দিন যথাক্রমে “দুর্গাষষ্ঠী”, “মহাসপ্তমী”, “মহাষ্টমী”, “মহানবমী” ও “বিজয়াদশমী” নামে পরিচিত। আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষটিকে বলা হয় “দেবীপক্ষ”। দেবীপক্ষের সূচনার অমাবস্যাটির নাম মহালয়া  এই দিন হিন্দুরা তর্পণ করে তাঁদের পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধানিবেদন করে। দেবীপক্ষের শেষ দিনটি হল কোজাগরী পূর্ণিমা। এই দিন হিন্দু দেবী লক্ষ্মীর পূজা করা হয়। কোথাও কোথাও পনেরো দিন ধরে দুর্গাপূজা পালিত হয়। সেক্ষেত্রে মহালয়ার আগের নবমী তিথিতে পূজা শুরু হয়।

জীবনের যত একঘেয়েমি, দুঃখ, কষ্ট ভুলে বাংলায় এই ক’টা দিন মানুষ আনন্দ করে সবটুকু নিংড়ে দিয়ে। পুজোর ক’টা দিনই আমরা ভুলে থাকি জীবনের যত জটিলতা, যত খারাপ থাকা। 

শরতের আগমনে শিশিরভেজা ঘাস, কাশফুল ও নীল আকাশের দিকে তাকালেই বোঝা যায় মা দুর্গা আসছেন। দেবীর আগমন মানেই আনন্দের সময়, পরস্পরের সঙ্গে মিশে যাওয়ার সময়। জীবনে প্রত্যেকেটি সময় সুমধুর হোক, তাই আশ্বিনের এই শারদ-প্রাতে দিনগুলিহয়ে উঠুক আরো আনন্দ-মুখর..।

  • Share This: